নওগাঁয় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গ্রামীন সিম কোম্পানীর দুই এজেন্টকে অপহরণ ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সময় ডাকাতরা এজেন্টদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, সিম কার্ড ও মিনিট/এমবি কার্ডসহ মোট ৪,৩৪,৫০০ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
রবিবার (৫ অক্টোবর ২০২৫), দুপুর দেড় টায় নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার এলাকায় গ্রামীন সিম কোম্পানীর এজেন্ট মোঃ তারেক মাঝি ও মিনহাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে আত্রাই যাওয়ার পথে ডাকাতদের হাত পড়ে। ডাকাতরা সাদা মাইক্রোবাসে তাদের পথ রোধ করে এবং ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য তল্লাশীর প্ররোচনা দেখিয়ে তাদেরকে অপহরণ করে। এসময় এজেন্টদের হাতে থাকা ব্যাগ, তিনটি মোবাইল ফোন, ৫৩টি সিম কার্ড, নগদ ১,৩৪,৫০০ টাকা এবং মিনিট/এমবি কার্ডসহ সর্বমোট ৪,৩৪,৫০০ টাকা লুট করা হয়।
ঘটনার পরপরই র্যাব-৫, এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ছায়াতদন্ত শুরু করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রের সক্রিয় সদস্যদের সনাক্ত করা হয়। এরপর দেশের চার জেলায় পাঁচটি পৃথক অভিযানে চক্রের চার প্রধান সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সুমন সরদার (৩৬), নওগাঁ, বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানা এলাকা থেকে, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া ও মাল্টিফাংশনাল হাতুরি জব্দ। মোঃ আলমগীর শেখ ওরফে আলম (৪৫), ঢাকার ডিএমপি এলাকায় থেকে গ্রেফতার, মোঃ মুক্তার হোসেন (৫৪), পাবনা, মোঃ বাদল শেখ (৫০), ফরিদপুর।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। নওগাঁ আত্রাই থানায় মামলা নং ০৫, তারিখ ১৫/১১/২০২৫, ধারা-১৭০/৩৯৫/৩৬৫ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।
র্যাব-৫ জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রবিবার (৫ অক্টোবর ২০২৫), দুপুর দেড় টায় নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার এলাকায় গ্রামীন সিম কোম্পানীর এজেন্ট মোঃ তারেক মাঝি ও মিনহাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে আত্রাই যাওয়ার পথে ডাকাতদের হাত পড়ে। ডাকাতরা সাদা মাইক্রোবাসে তাদের পথ রোধ করে এবং ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য তল্লাশীর প্ররোচনা দেখিয়ে তাদেরকে অপহরণ করে। এসময় এজেন্টদের হাতে থাকা ব্যাগ, তিনটি মোবাইল ফোন, ৫৩টি সিম কার্ড, নগদ ১,৩৪,৫০০ টাকা এবং মিনিট/এমবি কার্ডসহ সর্বমোট ৪,৩৪,৫০০ টাকা লুট করা হয়।
ঘটনার পরপরই র্যাব-৫, এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ছায়াতদন্ত শুরু করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রের সক্রিয় সদস্যদের সনাক্ত করা হয়। এরপর দেশের চার জেলায় পাঁচটি পৃথক অভিযানে চক্রের চার প্রধান সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সুমন সরদার (৩৬), নওগাঁ, বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানা এলাকা থেকে, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া ও মাল্টিফাংশনাল হাতুরি জব্দ। মোঃ আলমগীর শেখ ওরফে আলম (৪৫), ঢাকার ডিএমপি এলাকায় থেকে গ্রেফতার, মোঃ মুক্তার হোসেন (৫৪), পাবনা, মোঃ বাদল শেখ (৫০), ফরিদপুর।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। নওগাঁ আত্রাই থানায় মামলা নং ০৫, তারিখ ১৫/১১/২০২৫, ধারা-১৭০/৩৯৫/৩৬৫ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।
র্যাব-৫ জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক